Pages

Friday, October 23, 2020

আলিপুরদুয়ার জেলার উন্নয়ন

২০১৪ সালে আলিপুরদুয়ারকে পশ্চিমবঙ্গের ২০তম জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি কাজ ও পরিষেবা মানুষের কাছে আরও দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে যাচ্ছে। জেলা, ব্লক ও গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলির উন্নয়নে একগুচ্ছ প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার।

স্বাস্থ্য
আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল ও বীরপাড়া হাসপাতালে ২টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান চালু হয়ে গেছে।
আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে Fair price diagnostic centre চালু হয়ে গেছে।
ফালাকাটায় উন্নতমানের মাল্টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল নির্মাণের কাজ চলছে।
শিক্ষা
কালচিনি ও মাদারিহাটে নতুন মডেল স্কুল নির্মাণের কাজ চলছে।সব স্কুলে মিড ডে মিল চলছে যার ফলে পুষ্টি এবং ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতির হার বেড়েছে এবং স্কুল ছুট ছাত্রের সংখ্যা কমেছে।প্রতিটি বিদ্যালয়ে ছেলে ও মেয়েদের জন্যও পৃথক শৌচাগার নির্মিত হয়েছে।
ভূমি সংস্কার ও কৃষি
এই জেলায় প্রায় ১৫০০ যোগ্য ভূমিহীন পরিবারের হাতে ‘নিজ গৃহ নিজ ভূমি’ প্রকল্পে পাট্টা তুলে দেওয়া হয়েছে। এই জেলায় প্রায় ৩৫০০ পাট্টা প্রদান করা হয়েছে।এই জেলার প্রায় ৯২% কৃষক পরিবারকে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।কৃষক বাজার – ফালাকাটায় একটি কৃষক বাজার চালু হয়ে গেছে।
১০০ দিনের কাজ
এই জেলায় বিভিন্ন ব্লকে ১০০ দিনের কাজে ২৪৭ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রায় ৭৮ লক্ষ শ্রম দিবস সৃষ্টি হয়েছে।

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন
মিশন নির্মল বাংলা – এই প্রকল্পে প্রায় ২২ হাজার শৌচাগার নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়েছে।

সংখ্যালঘু উন্নয়ন
বিগত দেড় বছরে ১০ হাজারের বেশি সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীকে প্রায় ২ কোটি টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া স্বনির্ভরতার জন্য সংখ্যালঘু যুবক-যুবতীদের সাড়ে ৩ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে।
অনগ্রসর কল্যাণ
‘শিক্ষাশ্রী’ প্রকল্পের আওতায় এই জেলার প্রায় ৬১ হাজার ছাত্র-ছাত্রী সহায়তা পেয়েছে।

কন্যাশ্রী প্রকল্প
নবগঠিত আলিপুরদুয়ার জেলায় সাড়ে ৩৩ হাজারেরও বেশি ছাত্রী কন্যাশ্রী প্রকল্পের সহায়তায় এসেছে।

খাদ্য সুরক্ষা কর্মসূচী
‘খাদ্যসাথী’ প্রকল্পের আওতায় এই জেলায় প্রায় ১১ লক্ষ মানুষ ২ টাকা কেজি দরে খাদ্যশস্য পাচ্ছেন।

পূর্ত ও পরিবহণ
বিগত সাড়ে চার বছরে এই জেলায় পূর্ত দপ্তর ৫০টি রাস্তাঘাট, ব্রিজ ইত্যাদি প্রকল্প রূপায়নের কাজ হাতে নিয়েছে, এর মধ্যে ৩টি প্রকল্পের কাজ প্রায় ১৫০কোটি টাকা ব্যয়ে ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
জেলার সড়ক ব্যবস্থা উন্নয়নে ২০০ কিমি রাস্তা পুনর্নির্মাণ/সম্প্রসারণ হয়েছে। আরও ১৫০ কিমি রাস্তার কাজ আগামী মে মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তি
সমগ্র জেলায় ‘সবার ঘরে আলো’ প্রকল্পে ১০০% গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণের কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে।

সেচ
এই জেলায় ৫০ কিমি দৈর্ঘ্যের বাঁধ সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য কারিগরী
বিগত সাড়ে চার বছরে ১৯টি জল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে, এর মধ্যে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬টির কাজ সমাপ্ত হয়েছে।লোকনাথপুর, যশোডাঙ্গা ও মাদারিহাটে পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে।
পর্যটন
এই জেলায় ডুয়ার্স মেগা ট্যুরিজম প্রজেক্ট-এর অন্তর্গত প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪টি প্রকল্পের কাজ চলছে। রত্নেশ্বর ঝিল, বাকলা, শিকিয়াঝোড়া এবং হাসিমারা এই প্রকল্পগুলির প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ চলছে।

পুর ও নগরোন্নয়ন
এই জেলায় মিউনিসিপ্যালিটি ৩০ কোটি টাকারও বেশি পরিকল্পনা খাতে ব্যয় করেছে। শহরাঞ্চলে ৪০০-র বেশি বাসস্থান নির্মিত হয়েছে।

তথ্য ও সংস্কৃতি
বর্তমানে এই জেলায় ১২০০ জন লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পাচ্ছেন। আরও প্রায় ২৫০ জন লোকশিল্পী রিটেনার ফি ও পেনশন পেতে চলেছেন।

আবাসন
আলিপুরদুয়ার জেলায় গীতাঞ্জলি ও অন্যান্য প্রকল্পে প্রায় ২০০০ বাসস্থান নির্মিত হচ্ছে, এর মধ্যে প্রায় ১১০০ বাসস্থানের কাজ নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে সমাপ্ত হয়ে গেছে।

ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ
ক্রীড়ার মান উন্নয়নে জেলায় জেলায় ৪৭টি ক্লাবকে অর্থ সাহায্য করা হয়েছে।জেলায় ২৪টি মাল্টি জিম সেন্টার গড়ে তুলতে ৪৮ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
 

তথ্য সংকলন : কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট টীম,

No comments:

Post a Comment

If you have any doubts, Please let me know.